Durga Sharma Digital Creator Cooch Behar - Facebook Profile & Bio

Live Attendance - মন্ডল পরিবার

মন্ডল পরিবারের আর্কাইভ রিপোর্ট

লোড হচ্ছে...

মন্ডল পরিবারে স্বাগতম

থ্যাঙ্ক ইউ লাইভ জয়েন করার জন্য।

মনে রেখো তুমি মন্ডল পরিবারের একজন গর্বিত সদস্য।

"আজকের লাইভটা ভালো-মন্দ করার দায়িত্ব কিন্তু তোমারও আছে!"

লাইভ শেষে চেক আউট করতে ভুলো না কিন্তু!

ধন্যবাদ সদস্য!

তোমার আজকের দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

"তোমার সততাই মন্ডল পরিবারের আসল সম্পদ।"

আগামী লাইভে তোমার সাথে আবার দেখা হবে। ভালো থেকো।

মন্ডল পরিবার

মন্ডল পরিবারের সদস্যের বক্তব্য

AKSHAY MONDAL

🔴 মন্ডল পরিবার 🔴

💓 মন্ডল পরিবারের লাইভ সেশন 💓

লাইভ শুরুর সময়:
অপেক্ষা করুন...
📊
CHECKED IN: 0 | CHECKED OUT: 0
TARGET 0
টোটাল কমেন্ট করা হয়েছে 0
0 = 🇮🇳₹<0 | 🇧🇩৳<0

👩‍💼

Durga Sharma

45K followers · 4.5K following · 3.3K posts

Profile · Digital creator

আমার প্রোফাইলে আপনাকে স্বাগতম, সবার পাশে থেকে এগিয়ে যেতে চাই।

🎬 Digital creator · 📍 Cooch Behar

💕 Married

⭐ Fan favorite
All Reels Photos
👤

Durga Sharma

📌 Pinned · 4d · 🌐

👉 প্রোফাইল দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সিঁদুর খেলা - দুর্গাপূজার শেষ দিনের আনন্দ

🙏 দুর্গাপূজা 🙏

বাঙালির প্রাণের উৎসব

দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাঙালির জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বছর ঘুরে যখন আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের প্রথম দিনটি আসে, তখন থেকেই বাংলার বাতাসে ভেসে বেড়ায় উৎসবের গন্ধ। Mondalporibar.online-এ আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি এই মহৎ উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত।

মহালয়ার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে বিজয়া দশমীর বিসর্জন পর্যন্ত — এই পাঁচ দিন বাংলা যেন একটা বড় পরিবারে পরিণত হয়। ধনী-গরিব, ছোট-বড়, সব ভেদাভেদ ভুলে মানুষ একসাথে মেতে ওঠে আনন্দে।

📿 মহালয়া ও দেবীপক্ষের সূচনা

মহালয়ার ঠিক মধ্যরাতে বাংলার আকাশ ভেদ করে ওঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে চন্ডীপাঠের ধ্বনি। "যা দেবী সর্বভূতেষু..." — এই মন্ত্রের মাধ্যমে শুরু হয় দেবীপক্ষ। পিতৃপক্ষ শেষে দেবীপক্ষের আগমনে প্রতিটি বাঙালি হৃদয়ে জেগে ওঠে নতুন আশার আলো।

মহালয়ার পরদিন থেকেই কুমোরটুলি, বাগবাজার, চিত্রপুর — সর্বত্র শিল্পীরা ব্যস্ত হয়ে ওঠেন প্রতিমার শেষ আঁচড় দিতে। বাংলার প্রতিটি পাড়ায় তখন গড়ে ওঠে অস্থায়ী মণ্ডপ।

🪔 ষষ্ঠী ও দেবীর বোধন

ষষ্ঠী তিথিতে বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মা দুর্গাকে আহ্বান করা হয়। পণ্ডিত মশাইয়েরা মন্ত্রোচ্চারের মাধ্যমে দেবীর আবাহন করেন। একে একে গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও অসুর মর্দিনী দুর্গার প্রতিমা স্থাপন করা হয় মণ্ডপে।

ষষ্ঠীর দিন থেকেই পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তদের ভিড় শুরু হয়ে যায়। সন্ধ্যার পর মণ্ডপে মণ্ডপে জ্বলে ওঠে আলোর রশ্মি। শুরু হয় ঢাকের বাদ্যি।

দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপের রঙিন আলোকসজ্জা

🎪 মণ্ডপ পরিক্রমা ও আলোকসজ্জা

দুর্গাপূজার আসল আকর্ষণ হলো মণ্ডপ পরিক্রমা। কলকাতা থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল — সর্বত্র গড়ে ওঠে অপূর্ব সুন্দর মণ্ডপ। কোথাও বাঁশ ও কাঠের কারুকার্য, কোথাও বা থিম ভিত্তিক প্যাভিলিয়ন।

সন্ধ্যা নামলেই মণ্ডপগুলো আলোতে জ্বলে ওঠে। লক্ষ লক্ষ বাতি, টিউবলাইট, প্রজেক্টর — আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় প্রতিটি মণ্ডপ হয়ে ওঠে এক একটি কলাত্মক রচনা। রাত জেগে মণ্ডপ দেখতে বের হওয়া বাঙালির প্রিয় অভ্যাস।

🌺 সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী

সপ্তমীর সকালে কলাবউ স্নানের মাধ্যমে পূজার মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। নবপত্রিকায় দেবীর আরাধনা করা হয়। সন্ধ্যায় মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের ঢল নামে।

অষ্টমীর দিনটি পূজার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সকালে অন্ঞ্জলি দেওয়ার জন্য ভক্তরা উপবাস করে অপেক্ষা করেন। সন্ধিপূজার সময় দেবীর আরাধনা চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।

নবমীতে ভোগের আয়োজন হয়। খিচুড়ি, লাবড়া, বেগুন ভাজা, চাটনি আর পায়েস — এই ভোগ প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

🔥 ধূনোচি নাচ ও ঢাকের বাদ্যি

ধূনোচি নাচ ছাড়া দুর্গাপূজা যেন অসম্পূর্ণ। ধূনোচির ধোঁয়া আর ঢাকের তালে তালে নাচতে নাচতে বাঙালি উল্লাসে মেতে ওঠে। পূজামণ্ডপে ঢাকিরা যখন ঢাক বাজায়, তখন মনে হয় পৃথিবীর সব দুঃখ-কষ্ট মিলিয়ে যায়।

বাঙালি নারীরা লাল শাড়ি পরে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে বেড়ায়। কোনো কোনো মণ্ডপে আয়োজন করা হয় ধূনোচি নাচ প্রতিযোগিতা। এই উৎসবে সব ভেদাভেদ ভুলে একসাথে মেতে ওঠে সকলে।

😢 বিজয়া দশমী ও বিসর্জন

দশমীর সকালে মায়ের মুখে প্রথমবারের মতো সিঁদুরের ছোঁয়া লাগে। সিঁদুর খেলার মাধ্যমে নারীরা মাকে বিদায় জানায়। একে অন্যের মুখে সিঁদুর মাখিয়ে, আলিঙ্গন করে, কান্না হাসির মিশেলে বিদায় জানানো হয় দেবীকে।

"দখিনাকাশের তারার আলোয়, মা আবার এসো" — এই সুরে বিদায় জানানো হয় মাকে। বিকেলের দিকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয় নদীর ঘাটে। আবার আগামী বছরের অপেক্ষা শুরু হয়ে যায়।

"মা আসবেন বলে,
আমরা সাজি ঘর..."

— বাঙালির হৃদয়ের কথা

🍛 দুর্গাপূজার খাদ্য ঐতিহ্য

🍲 ভোগের খিচুড়ি

নবমীর দিন দেবীকে ভোগ নিবেদন করা হয় খিচুড়ি, লাবড়া, বেগুন ভাজা, চাটনি ও পায়েস দিয়ে। এই প্রসাদ পাওয়ার জন্য ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন।

🍬 মিষ্টি মুখ

পূজার পাঁচ দিন বাঙালির বাড়িতে তৈরি হয় নানা রকম মিষ্টি — ল্যাংচা, পান্তুয়া, চন্দ্রপুলি, নারকেল নাড়ু। বিজয়ার দিন আত্মীয়-স্বজনকে মিষ্টি মুখ করানো হয়।

☕ ভ্রাম্যমাণ খাবার

মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরতে ঘুরতে ফুচকা, ঘুঘনি, চায়ের দোকানে চা আর মোমো — এসব ছাড়া মণ্ডপ পরিক্রমা যেন অসম্পূর্ণ।

🎊 বাঙালির অন্যান্য উৎসব

🎉 কালীপূজা

আলোর উৎসব — দীপাবলির রাতে মা কালীর পূজা। বাঙালির অন্যতম প্রিয় উৎসব। প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয় প্রতিটি বাড়ি।

🎊 লক্ষ্মীপূজা

ধন-সম্পদের আশীর্বাদ — কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা। প্রতিটি বাড়িতে প্রদীপ জ্বলে ওঠে। মা লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে ওঠে গৃহস্থালি।

🎭 পহেলা বৈশাখ

বাংলা নববর্ষ — নতুন সূচনার উৎসব। হালখাতা, মিষ্টি মুখ, বর্ষবরণের গান আর রমনা বটমূলের ছায়ামূলে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

🎪 রথযাত্রা

জগন্নাথ দেবের উৎসব — গুণ্ডিচা রথের মাহাত্ম্য। মা মা বলে ভক্তরা টানে রথ। পুরী থেকে কলকাতা — সর্বত্র এই উৎসবের জৌলুস।

🌸 বসন্ত উৎসব

হলি বা দোল — বসন্তের আগমনে রঙিন হয়ে ওঠে বাংলা। গান-বাজনা, আবীর খেলা আর ভাতৃঘাত্রের বন্ধনে মেতে ওঠে সকলে।

🔔 আরও উৎসবের খবর, পূজার নিয়ম ও বাঙালি ঐতিহ্যের আপডেট পেতে ভিজিট করুন

🌐 Mondalporibar.online

© 2026 Mondalporibar.online

বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গী

Tags: দুর্গাপূজা, বাঙালি উৎসব, বিজয়া দশমী, সিঁদুর খেলা, Mondalporibar, পহেলা বৈশাখ, কালীপূজা, লক্ষ্মীপূজা, রথযাত্রা, মণ্ডপ পরিক্রমা

Post a Comment

0 Comments
Milon SK Banani Rajib Atasi Bera Baisakhi Biswas Animesh Debnath Arpita Sardar Bijaya Dey Das Dipika Debnath Joy Sree Roy Kajal Patar Mousumi Das Shital Bera Sima Chakraborty Singdha Banik Surendra Kumar Tapas Das Uma Paul Biswajit Banik Akshay Mondal