Koefil Koefil – Dhaka-র জনপ্রিয় Digital Creator | Facebook Profile

Live Attendance - মন্ডল পরিবার

মন্ডল পরিবারের আর্কাইভ রিপোর্ট

লোড হচ্ছে...

মন্ডল পরিবারে স্বাগতম

থ্যাঙ্ক ইউ লাইভ জয়েন করার জন্য।

মনে রেখো তুমি মন্ডল পরিবারের একজন গর্বিত সদস্য।

"আজকের লাইভটা ভালো-মন্দ করার দায়িত্ব কিন্তু তোমারও আছে!"

লাইভ শেষে চেক আউট করতে ভুলো না কিন্তু!

ধন্যবাদ সদস্য!

তোমার আজকের দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

"তোমার সততাই মন্ডল পরিবারের আসল সম্পদ।"

আগামী লাইভে তোমার সাথে আবার দেখা হবে। ভালো থেকো।

মন্ডল পরিবার

মন্ডল পরিবারের সদস্যের বক্তব্য

AKSHAY MONDAL

🔴 মন্ডল পরিবার 🔴

💓 মন্ডল পরিবারের লাইভ সেশন 💓

সিস্টেম লোড হচ্ছে... একটু ওয়েট করুন
📊
CHECKED IN: 0 | CHECKED OUT: 0
TARGET 0
টোটাল কমেন্ট করা হয়েছে 0

🧑‍💻

Koefil Koefil ✅

🎬 Digital Creator · 📍 Dhaka

👥 10K Followers 2.6K Following 📝 887 Posts
💰
মাসের শেষে টাকা থাকে না?
ছোট্ট কয়েকটা অভ্যাস বদলে আমি যেভাবে প্রতি মাসে সঞ্চয় করতে শিখলাম — বইয়ের তত্ত্ব না, নিজের জীবন থেকে শেখা পুরো হিসাব।

একটা সত্যি কথা দিয়ে শুরু করি। দুই বছর আগেও আমার জীবনের ছবিটা ছিল অনেকটা এমন — মাসের ৫ তারিখে বেতন ঢুকেছে, ১০ তারিখে মনে হচ্ছে এবার তো কিছু জমাবোই, আর ২২ তারিখে মোবাইল ব্যাংকিং খুলে দেখি ব্যালান্সে তিন ডিজিট ঘুরপথে। কোথায় গেল টাকা? ঠিকমতো উত্তর ছিল না। বড় কোনো খরচও করিনি, গাড়ি কিনিনি, ভ্রমণেও যাইনি — তবু টাকা টিকে না।

পরে অনেক খোঁজাখুঁজি আর নিজের খরচের খাতা ঘেঁটে একটা কঠিন সত্য বুঝলাম — টাকা সঞ্চয়ের সমস্যা আসলে ইনকামের সমস্যা না, অভ্যাসের সমস্যা। যে মাসে পনেরো হাজার ইনকাম, সে মাসেও শেষ হয়। যে মাসে ত্রিশ হাজার, সে মাসেও শেষ হয়। অদ্ভুত ব্যাপার, কিন্তু সত্যি।

এই পোস্টে আমি সেই ১৫টা উপায় লিখে দিলাম যেগুলো আমি নিজে একটা একটা করে কাজে লাগিয়েছি, ফলও পেয়েছি। কোনো কপি করা লেখা না, আমার নিজের গল্প আর নিজের হিসাব। পুরোটা পড়তে সময় লাগবে, তবে বিশ্বাস করো — শেষটা পড়লে অন্তত ৫-৬টা উপায় আজ থেকেই কাজে লাগাতে পারবে।

আগে একটা সত্যি কথা — কেন আমাদের সঞ্চয় হয় না?

উপায়ে যাওয়ার আগে সমস্যাটা চিনতে হবে। ওষুধের আগে রোগ নির্ণয় — পুরোনো কথা, কিন্তু টাকার ব্যাপারে এখনো সত্যি। আমি নিজের জীবন আর চারপাশের মানুষদের দেখে ৩টা কারণ খুঁজে পেয়েছি।

কারণ ১: টাকা কোথায় যাচ্ছে, সেটা আমরা জানিই না। মাস শেষে জিজ্ঞেস করলে বলতে পারি বাড়িভাড়া, বাজার, বিল — কিন্তু এর বাইরে হাজার হাজার টাকা চলে যায় এমন জায়গায়, যার কোনো নাম আমরা দিতে পারি না। এই "নামহীন খরচ"ই সবচেয়ে ভয়ংকর।

কারণ ২: আমরা উল্টো নিয়মে চলি। আমাদের সূত্রটা এমন — ইনকাম − খরচ = সঞ্চয়। অথচ সঠিক সূত্র হলো উল্টোটা — ইনকাম − সঞ্চয় = খরচ। মানে আগে সঞ্চয়টা সরিয়ে রাখো, বাকি টাকা দিয়ে মাস চালাও। এই একটা জিনিস বদলাতে পারলে অর্ধেক লড়াই জিতে যাওয়া।

কারণ ৩: ছোট খরচকে আমরা ছোট ভাবি। দিনে ৬০ টাকার চা-নাশতা মনে হয় কিছুই না। কিন্তু মাসে ১৮০০ টাকা, বছরে প্রায় ২২ হাজার টাকা। এই হিসাবটা মাথায় রাখো — পরে আবার আসছি এখানে।

টাকা সঞ্চয়ের ১৫টি বাস্তব উপায় (নিজে পেরে শেখা)

একটা কথা আগেই বলি — ১৫টার সবগুলো একদিনে শুরু করতে হবে না। যেকোনো ৩টা দিয়ে শুরু করো। অভ্যাস হলে বাকিগুলো নিজে নিজেই এসে যাবে।

গোছ ১: হিসাবের অভ্যাস (উপায় ১-৩)

আগে নিজেকে টাকা দিন

বেতন বা ইনকাম ঢুকার সেই দিনই একটা নির্দিষ্ট অংক সরিয়ে ফেলো — আলাদা অ্যাকাউন্টে, DPS-এ, বা যেখানে সুবিধা। বাকি টাকা দিয়েই মাস চালাতে হবে, এই বাধ্যবাধকতাটাই আসল জাদু। আমি শুরুতে মাত্র ১০% রাখতাম, এখন ২০% পর্যন্ত ওঠাতে পেরেছি।

৩০ দিন প্রতিটা খরচ লিখে রাখুন

খাতা, ফোনের নোট, কিংবা যেকোনো ফ্রি অ্যাপ — যেখানে ইচ্ছে লেখো। শর্ত একটাই, এক টাকাও বাদ যাবে না। ৩০ দিন পর খাতাটা উল্টে দেখলে চোখ কপালে উঠবে, কারণ তুমি প্রথমবার দেখবে টাকা আসলে কোথায় যায়। আমার ক্ষেত্রে দেখলাম মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা যাচ্ছে এমন জিনিসে, যেগুলো কেনার কথা আমি মনেও করতে পারিনি।

৫০/৩০/২০ নিয়ম মেনে চলুন

ইনকামের ৫০% জরুরি খরচে (ভাড়া, বাজার, বিল, ওষুধ), ৩০% ইচ্ছের খরচে (ঘোরাঘুরি, বিনোদন, কেনাকাটা), আর ২০% সোজা সঞ্চয়ে। ইনকাম কম হলে হুবহু মানা কঠিন — কিন্তু সঞ্চয়ের অংশটা ৫% হলেও রাখো, শূন্য রেখো না। নিচে ছবির মতো করে বুঝিয়ে দিলাম:

গোছ ২: বাজার আর কেনাকাটা (উপায় ৪-৮)

বাজারে যাওয়ার আগে তালিকা বানান

তালিকা ছাড়া বাজারে গেলে দোকানদার না, তোমার চোখই বাজারটা করে। যা দেখছি তাই ঝুড়িতে। তালিকা থাকলে গড়ে ১৫-২০% কম খরচ হয় — এটা আমার নিজের খাতার হিসাব, কারো কথার উপর না।

খালি পেটে বাজারে যেও না

শুনে হাস্যকর লাগলেও এটা বিজ্ঞানসম্মত। খুদা থাকলে মস্তিষ্ক খাবার জিনিসের দিকে বেশি ঝুঁকে, ফলে অপ্রয়োজনীয় চিপস-বিস্কুট-প্যাকেটজাত জিনিস ঝুড়িতে উঠে যায়। বাজারের আগে পেট ভরে খেয়ে যাও — নিজেই পার্থক্য দেখবে।

অনলাইন শপিংয়ে "২৪ ঘণ্টা নিয়ম" মানুন

কিছু পছন্দ হলে সঙ্গে সঙ্গে অর্ডার না করে কার্টে রেখে দাও। ২৪ ঘণ্টা পরও যদি মনে হয় সত্যি দরকার, তখন কিনো। আমার ক্ষেত্রে দশটার মধ্যে সাতটা জিনিস পরদিন আর কেনা হয় না — মানে সেগুলো দরকার ছিলই না, শুধু মুহূর্তের আবেগ ছিল।

বড় কেনাকাটা মাসের শেষে করুন

মাসের শেষে দোকানগুলোতে অফার-ছাড় বেশি থাকে, আর তোমার হাতেও তখন পরিষ্কার হিসাব থাকে কতটুকু খরচ করা নিরাপদ। মাসের গোড়ায় বড় কেনাকাটা করলে পুরো মাসের বাজেট এলোমেলো হয়ে যায়।

ডামি "অফার" আর ক্যাশব্যাকের ফাঁদ চিনুন

"৫০% ছাড়" মানে তুমি ৫০% বাঁচালে না, মানে তুমি বাকি ৫০% খরচ করলে — এমন জিনিসে যেটা সম্ভবত কিনতেই না। যেটা দরকার ছিল না, সেটা ৯০% ছাড়েও কিনলে লসই। অফার দেখে তালিকা বানিও না, তালিকা দেখে অফার খোঁজো।

গোছ ৩: দৈনন্দিন খরচ আর বিল (উপায় ৯-১১)

বাইরের খাবার সপ্তাহে একদিনে নামিয়ে আনুন

বলছি না একদম ছেড়ে দিতে — সেটা বাস্তব না, মানুষ মজাও চায়। আমি সপ্তাহে ৩-৪ বার বাইরে খাওয়া কমিয়ে রেখেছি শুধু শুক্রবারে। মাস শেষে দেখি একদম এভাবেই দেড়-দুই হাজার টাকা বেঁচে যাচ্ছে। ঘরের খাবারের স্বাদও এখন আগের চেয়ে ভালো লাগে, কারণ বাইরের খাবারটা এখন "বিশেষ দিনের" জিনিস।

১০ সাবস্ক্রিপশনগুলো খতিয়ে দেখুন

ফোনের সেটিংসে গিয়ে দেখো কোন কোন অ্যাপ প্রতি মাসে টাকা কাটছে। ভিডিও স্ট্রিমিং, মিউজিক, ক্লাউড — অনেকটাই হয়তো তুমি আর দেখোই না। আমি নিজে ৩টা সাবস্ক্রিপশন বন্ধ করে মাসে ৫০০ টাকার মতো বাঁচিয়েছিলাম। পরিবারের সাথে শেয়ার প্ল্যান নিলে খরচ আরও অর্ধেক নামানো যায়।

১১ বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানির অযথা নষ্ট বন্ধ করুন

খালি ঘরে লাইট-ফ্যান জ্বলছে, চার্জার সারারাত সকেটে, ট্যাপ খুলে দাঁত মাজা — এগুলো একেকটা ছোট, কিন্তু মিলে মাসে কয়েকশো টাকার বিল। LED বাল্বে বদলে নাও, ফ্যান-লাইটের অভ্যাস ঠিক করো। আমাদের বাড়িতে এই ছোট্ট বদলে বিদ্যুদ্বিল মাসে ৩০০ টাকার মতো কমেছে।

গোছ ৪: সঞ্চয়ের সিস্টেম (উপায় ১২-১৫)

১২ সঞ্চয়টা "স্বয়ংক্রিয়" করে দিন

ইচ্ছাশক্তির উপর ভরসা রেখো না — ইচ্ছাশক্তি মাসের ২০ তারিখে দুর্বল হয়ে যায়। ব্যাংকে অটো-ট্রান্সফার বা DPS করিয়ে দাও, যেন বেতন ঢুকার পরের দিনই টাকাটা নিজে নিজে চলে যায়। যা চোখের সামনে নেই, তা খরচও হয় না।

১৩ জরুরি তহবিল আলাদা রাখুন

হঠাৎ অসুস্থতা, চাকরি যাওয়া, ফোন ভেঙে যাওয়া — এমন জরুরি খরচের জন্য অন্তত ৩ মাসের খরচের সমান টাকা আলাদা জমাও। এটা না থাকলে ছোট্ট একটা দুর্ঘটনাই সারা বছরের সঞ্চয় শেষ করে দেয়, আবার ঋণের দিকে ঠেলে দেয়। কীভাবে শুরু করবে, নিচে আরেকটু বিস্তারিত বলেছি।

১৪ ঋণের সুদের টাকা আগে শোধ করুন

ক্রেডিট কার্ড বা কিস্তির সুদ যদি মাসে ৮০০ টাকা হয়, তাহলে সেই ঋণ শোধ করা মানেই মাসে ৮০০ টাকার "নিশ্চিত সঞ্চয়"। ব্যাংকে টাকা রেখে ৫% সুদ পাবে, অথচ ঋণে ১৫-২০% সুদ দিচ্ছ — এই হিসাবটা মেলাও। আগে বড় সুদের ঋণ মিটাও, তারপর বড় সঞ্চয়ে যাও।

১৫ মাসে একদিন "নো-স্পেন্ড ডে" পালন করুন

মাসে একদিন ঠিক করো যেদিন ভাড়া-বিলের বাইরে এক টাকাও খরচ হবে না। বাইরে খাবো না, অনলাইনে কিছু কিনবো না, ঘুরতেও যাবো না। প্রথমবার কঠিন লাগবে, কিন্তু এই একদিন তোমাকে শেখাবে আসলে কোন খরচগুলো "অভ্যাসের", কোনগুলো "দরকারের"।

"সঞ্চয় মানে কষ্ট করে বাঁচা না। সঞ্চয় মানে — যেখানে টাকার মূল্য পাচ্ছি না, সেখানে টাকা দেওয়া বন্ধ করা।"

আমার নিজের এক মাসের হিসাব — আগে বনাম এখন

কথার চেয়ে সংখ্যা বেশি বোঝায়। নিচে আমার এক মাসের আসল হিসাব দিলাম — অভ্যাস বদলানোর আগে আর পরের তুলনা। টাকার অংক তোমার সাথে মিলবে না হয়তো, কিন্তু ধরনটা মিলবে, এটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি।

🍚 বাইরের খাবার — আগে ৩,২০০ টাকা → এখন ১,২০০ টাকা
আগে
এখন
🛒 অনলাইন শপিং — আগে ৪,৫০০ টাকা → এখন ১,৮০০ টাকা
আগে
এখন
☕ চা-নাশতা — আগে ১,৫০০ টাকা → এখন ৭০০ টাকা
আগে
এখন
💳 সাবস্ক্রিপশন — আগে ৮৫০ টাকা → এখন ৩০০ টাকা
আগে
এখন

মোট হিসাব করলে মাসে প্রায় ৫,৮৫০ টাকা বেঁচে যাচ্ছে — একই ইনকামে, একই জীবনে, শুধু অভ্যাস বদলে। বছরে এই টাকা দাঁড়ায় প্রায় ৭০ হাজার। ভেবে দেখো, ৭০ হাজার টাকা দিয়ে কী কী করা যায় না।

💡 মনে রেখো: তোমার সংখ্যাগুলো আলাদা হবে, সেটা স্বাভাবিক। কাজ হলো নিজের খাতা বানিয়ে নিজের "আগে-পরে" চার্ট বানানো। ওটাই তোমার আসল নকশা।

জরুরি তহবিল — ছোট্ট মাটির ব্যাংক, বড় রক্ষা

ছোটবেলায় মাটির ভাঁড়ে কয়েন ফেলার কথা মনে আছে? ভাঁড় ভাঙার দিন যে আনন্দ হতো, ব্যাংকের SMS-এ তা হয় না। জরুরি তহবিলটাও ঠিক সেই ভাঁড় — শুধু ডিজিটাল।

কত টাকা রাখবে? অন্তত ৩ মাসের জরুরি খরচের সমান। মাসে তোমার জরুরি খরচ যদি ১৫ হাজার হয়, লক্ষ্য ৪৫ হাজার। শোনার সময় বড় লাগলেও মাসে ২-৩ হাজার করে জমালে দেড়-দুই বছরে হয়ে যায়। আর হওয়ার পর যে প্রশান্তি ঘুম দেয়, তার দাম টাকায় মাপা যায় না।

কোথায় রাখবে? এমন জায়গায় যেখানে দরকারে দ্রুত তোলা যায়, কিন্তু ইচ্ছে করলেই তোলা যায় না — আলাদা সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা DPS ভালো অপশন। আর একটা কঠোর নিয়ম বানাও — এই টাকা শুধু "জরুরি" অবস্থায় ছোঁয়া যাবে। নতুন ফোন কেনা জরুরি না, মনে রেখো।

সঞ্চয়ের পথে ৫টি ভুল — যেগুলো করবেন না

  • একদম সব কিছু বন্ধ করে দেওয়া। সারাক্ষণ কৃপণের মতো থাকলে দশদিন পর হাতখরচ ফিরিয়ে আনতে গিয়ে ডবল খরচ হয়। মজার খরচের জন্যও একটা ছোট অংশ রাখো — সংযত থাকলে পথটা টেকে।
  • সঞ্চয়ের টাকা চোখের সামনে রাখা। মূল অ্যাকাউন্টে টাকা দেখলেই মন চায় খরচ করতে। সঞ্চয় আলাদা জায়গায় — "না দেখলে না মনে পড়ে" এই সূত্র কাজে লাগাও।
  • অন্যের সাথে তুলনা করা। ফেসবুকে মানুষের ঘোরাঘুরি-কেনাকাটা দেখে মনে হবে সবার জীবনেই টাকার বন্যা। সত্যিটা কেউ পোস্ট করে না। নিজের গতিতে এগিয়ে যাও, তুলনা মানসিক শান্তি আর সঞ্চয় — দুটোই খেয়ে ফেলে।
  • বিনিয়োগের নামে আগেভাগে ঝুঁকি নেওয়া। জরুরি তহবিল তৈরির আগে শেয়ার-ক্রিপ্টোতে ঝাঁপ দিও না। আগে ভিত মজবুত, তারপর উঁচু দালান।
  • এক মাস খারাপ গেলে হাল ছেড়ে দেওয়া। কোনো মাসে সঞ্চয় কম হোক বা একদম না হোক — সেটা ব্যর্থতা না, জীবন। পরের মাসে আবার শুরু। ধারাবাহিকতাই আসল, পারফেকশন না।

🗓️ ৩০ দিনের সঞ্চয় চ্যালেঞ্জ

পড়ে শুধু জানা হলে কিছু হয় না, কাজে নামলে হয়। এই ছোট্ট চ্যালেঞ্জটা নাও — আজ থেকে ৩০ দিন:

  • প্রতিদিনের খরচ লিখে রাখো, এক টাকাও বাদ না
  • সপ্তাহে কমপক্ষে ১ দিন "নো-স্পেন্ড ডে"
  • মাসের ১ তারিখেই সঞ্চয়ের অংশ সরিয়ে ফেলো
  • অনলাইনে কিছু কেনার আগে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০ 🎯

প্রতিদিন রাতে একটা ঘর কাটো — খাতায়, ফোনের ক্যালেন্ডারে, যেখানে ইচ্ছে। ৩০ নম্বর ঘরে পৌঁছে পেছনের ২৯টা ঘর কাটা দেখলে যে তৃপ্তিটা পাবে, সেটাই তোমাকে দ্বিতীয় মাসে টেনে নিয়ে যাবে।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: মাসে ঠিক কত টাকা সঞ্চয় করা উচিত?

কোনো জাদুর সংখ্যা নেই। সাধারণ নিয়ম হলো ইনকামের ২০%। কিন্তু ইনকাম কম হলে ৫% দিয়েও শুরু করা যায় — গুরুত্বপূর্ণ হলো অভ্যাসটা, অংকটা না। সময়ের সাথে অংক বাড়ানো যায়, শূন্য থেকে বাড়ানো যায় না।

প্রশ্ন ২: ইনকামই খুব কম, তবু কি সঞ্চয় সম্ভব?

সম্ভব, কঠিন বটে কিন্তু সম্ভব। ইনকাম কম হলে "নামহীন খরচ" কমানোটাই প্রথম কাজ — কারণ সেখানেই অযথা টাকা লুকিয়ে থাকে। পাশাপাশি ছোট কোনো পার্শ্ব-আয়ের পথ খোঁজা যায়। সঞ্চয় আর আয় — দুই দিক থেকে আসলে ফল দ্রুত আসে।

প্রশ্ন ৩: সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখা ভালো?

শুরুর জন্য ব্যাংকের সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা DPS যথেষ্ট। অভ্যাস পাকা হলে ও জরুরি তহবিল তৈরি হলে তারপর সঞ্চয়পত্র বা অন্য নিরাপদ বিনিয়োগের কথা ভাবা যায়। ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় তখনই যাবে, যখন বেসিকটা শক্ত।

প্রশ্ন ৪: অভ্যাস পাকা হতে কতদিন লাগে?

আমার অভিজ্ঞতায় প্রথম মাস কষ্টের, দ্বিতীয় মাস সহজ, তৃতীয় মাসে সেটা জীবনের অংশ হয়ে যায়। তাই বলি — ৯০ দিন যেকোনোভাবে টিকে থাকো। এরপর সঞ্চয় করতে তোমাকে আর মনে করিয়ে দিতে হবে না, নিজেই হবে।

প্রশ্ন ৫: সংসারে সবাই মিললে না, তখন কী করবো?

খুব বাস্তব প্রশ্ন। সবাইকে বসিয়ে খাতা-কলমে হিসাব দেখাও — লেকচার না, সংখ্যা দেখাও। মানুষ কথায় না, সংখ্যায় নরম হয়। আর একটা কমন লক্ষ্য ঠিক করো — যেমন ছয় মাসে ঘুরতে যাওয়া বা ঈদে নতুন কিছু কেনা। লক্ষ্য সবার হলে খরচ কমানোও সবার হয়ে যায়।

শেষ কথা

দুই বছর আগের আমি আর আজকের আমি — মাঝখানের পার্থক্যটা কোনো বড় বেতন বাড়ানো না, বড় ব্যবসাও না। পার্থক্য শুধু এই ১৫টা ছোট্ট অভ্যাস। যেদিন প্রথম বুঝলাম টাকা আমাকে ছেড়ে যায় না, আমিই তাকে পথ দেখিয়ে দিই — সেদিন থেকেই সব বদলাতে শুরু করে।

তোমারও হবে। আজ রাতেই একটা কাগজ নিয়ে এই মাসের খরচগুলো লিখে ফেলো — এরপরের রাস্তাটা নিজেই দেখা দেবে। আর এই পোস্টের কোনো উপায় কাজে লাগলে কমেন্টে জানিও, তোমার গল্প পড়লে আমারও ভালো লাগবে। 😊

ফেসবুক থেকে কিছু পার্শ্ব-আয় শুরু করতে চাইলে আমাদের আগের পোস্টটাও পড়ে দেখতে পারো — ইনকামের পথ খুঁজতে পূর্ণাঙ্গ গাইড

📌 ছোট্ট নোট: এই লেখাটা লেখকের নিজের অভিজ্ঞতা আর ব্যক্তিগত হিসাব থেকে লেখা। টাকার অংকগুলো উদাহরণ মাত্র। বড় আর্থিক সিদ্ধান্তের আগে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবে।
— লিখেছি মণ্ডল পরিবার টিম ❤️ তোমাদের নিজের পরিবারের জন্য —
🎬 আমাদের সকল Invite Live এখানে দেওয়া আছে! Facebook বাটনে ক্লিক করে Reels দেখুন
🔴

INVITE LIVE 0

🔴
পোস্ট লোড হচ্ছে...
📘

FACEBOOK 0

📘
পোস্ট লোড হচ্ছে...
🔵

Ai Tool

🔵 0
পোস্ট লোড হচ্ছে...
🟠

Mondal Poribar

🟠 0
পোস্ট লোড হচ্ছে...
Milon SK Banani Rajib Atasi Bera Baisakhi Biswas Animesh Debnath Arpita Sardar Bijaya Dey Das Dipika Debnath Joy Sree Roy Kajal Patar Mousumi Das Shital Bera Sima Chakraborty Singdha Banik Surendra Kumar Tapas Das Uma Paul Biswajit Banik Akshay Mondal
AKSHAY MONDAL
পোস্ট লোড হচ্ছে...
আরো পোস্ট লোড হচ্ছে...