Suvro Gomes - Digital Creator | Facebook Profile Card

Live Attendance - মন্ডল পরিবার

মন্ডল পরিবারের আর্কাইভ রিপোর্ট

লোড হচ্ছে...

মন্ডল পরিবারে স্বাগতম

থ্যাঙ্ক ইউ লাইভ জয়েন করার জন্য।

মনে রেখো তুমি মন্ডল পরিবারের একজন গর্বিত সদস্য।

"আজকের লাইভটা ভালো-মন্দ করার দায়িত্ব কিন্তু তোমারও আছে!"

লাইভ শেষে চেক আউট করতে ভুলো না কিন্তু!

ধন্যবাদ সদস্য!

তোমার আজকের দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

"তোমার সততাই মন্ডল পরিবারের আসল সম্পদ।"

আগামী লাইভে তোমার সাথে আবার দেখা হবে। ভালো থেকো।

মন্ডল পরিবার

মন্ডল পরিবারের সদস্যের বক্তব্য

AKSHAY MONDAL

🔴 মন্ডল পরিবার 🔴

💓 মন্ডল পরিবারের লাইভ সেশন 💓

সিস্টেম লোড হচ্ছে... একটু ওয়েট করুন
📊
CHECKED IN: 0 | CHECKED OUT: 0
TARGET 0
টোটাল কমেন্ট করা হয়েছে 0

👤

Suvro Gomes

13K followers · 2.1K following · 761 posts

আমার ভিডিও ভাল লাগলে সবাই আমাকে ফলো এবং সাপোর্ট করবেন ❤️🙏

🎬 Digital creator

🔗 Visit Facebook Profile →

ভারতের গ্রামীণ জীবনে প্রযুক্তির পরিবর্তন

কীভাবে একটা স্মার্টফোন গোটা গ্রামের ভাগ্য বদলে দিল

M

Mondal Poribar

📅 ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬  |  ⏱️ ১২ মিনিটের পড়া

আমার নাম রাজু মণ্ডল। পশ্চিমবঙ্গের একটা ছোট্ট গ্রামে জন্ম। আমাদের গ্রামের নাম শ্যামনগর — মানুষজনের সংখ্যা মোটামুটি দেড় হাজারের মতো। আজ থেকে দশ বছর আগেও এই গ্রামের চিত্রটা ছিল একদম ভিন্ন। কিন্তু আজ? আজকের দিনে আমাদের গ্রামে যা হচ্ছে, সেটা শুনলে বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে।

এই লেখাটা শুধু একটা তথ্যের গল্প নয়। এটা আমার চোখে দেখা, আমার হাতে অনুভূত একটা বাস্তব ঘটনা। কীভাবে একটা ছোট্ট স্মার্টফোন, একটা ইন্টারনেট কানেকশন, আর একজন মানুষের সাহস — গোটা একটা গ্রামকে নতুন পথে নিয়ে গেল, সেটাই আজ তোমাদের সামনে তুলে ধরব।

📋 এই লেখায় যা যা পাবে:

  • গ্রামের পুরোনো দিনগুলো কেমন ছিল
  • প্রথম স্মার্টফোন আসার গল্প
  • ডিজিটাল পেমেন্ট কীভাবে জীবন সহজ করল
  • অনলাইন শিক্ষার প্রভাব
  • কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার
  • ভবিষ্যৎ — কোথায় যাচ্ছি আমরা

১ গ্রামের পুরোনো দিন — স্মৃতির পাতা থেকে

আমাদের গ্রামের একটা সাধারণ দৃশ্য — ২০১৫ সালের আগে

আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমাদের গ্রামে একটাই ল্যান্ডলাইন ফোন ছিল। সেটা ছিল পঞ্চায়েত অফিসে। রাত দশটার পরে যদি কারোর কোনো জরুরি কাজ হতো, তাহলে সাইকেলে চেপে পাঁচ কিলোমিটার দূরের পঞ্চায়েত অফিসে যেতে হতো। কথা বলার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হতো আধঘণ্টা।

চিঠি লিখে পাঠানো ছিল সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের মাধ্যম। একটা চিঠি পৌঁছাতো সাত থেকে দশ দিন। আর উত্তর পেতে আরো সাত দিন। মানে একটা সাধারণ কথা বলতে এক মাস লেগে যেত। ভাবতে পারো?

ব্যাংকে টাকা তুলতে হলে সকাল সকাল লাইনে দাঁড়াতে হতো। কখনো কখনো দুপুর গড়িয়ে যেত, তবু কাজ হতো না। ডাক্তার দেখাতে হলে শহরে যেতে হতো। বাসে উঠে, তারপর অটো, তারপর হেঁটে — পুরো একটা দিন শেষ।

"আমার দাদু বলতেন, 'বেটা, শহরের মতো সুবিধা গ্রামে কখনোই আসবে না।' কিন্তু দাদু ভুল ছিলেন।"

২ প্রথম স্মার্টফোন — একটা ছোট্ট বিপ্লব

২০১৬ সালে আমাদের গ্রামের প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন

২০১৬ সালের কথা। আমার বড় ভাই কলকাতা থেকে একটা সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন নিয়ে এলেন। মডেলটা ছিল Samsung Galaxy J2। দাম পড়েছিল তিন হাজার টাকা। সেই ফোনটা হাতে পেয়ে আমাদের গোটা পরিবারের মনে হলো, আমরা কোনো রকেট পেয়েছি।

প্রথমবার ইউটিউব চালু করলাম। একটা কৃষি সংক্রান্ত ভিডিও দেখলাম। সেই ভিডিওতে একজন কৃষক বলছিলেন কীভাবে ধানের জমিতে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া যায়। আমার বাবা সেই রাতেই ঘুমাতে পারলেন না। পরদিন সকালে উঠে বললেন, "এটা তো আমাদের জন্য সোনার হরিণ!"

সেই থেকে শুরু। একটা ফোন থেকে দুটো, দুটো থেকে পাঁচটা। আজ আমাদের গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কমপক্ষে একটা স্মার্টফোন আছে। কেউ কেউ দুটোও রেখেছে। একটা কাজের, একটা ব্যক্তিগত।

📊 আমাদের গ্রামের ডিজিটাল পরিসংখ্যান (২০২৬)

১৪০০+
স্মার্টফোন ব্যবহারকারী
৯৫%
ইন্টারনেট ব্যবহারকারী
৪G
নেটওয়ার্ক কভারেজ
৩০+
অনলাইন ব্যবসা

৩ ডিজিটাল পেমেন্ট — টাকার লেনদেনে বিপ্লব

UPI
⇄
₹

ফোনপে, গুগল পে, পেটিএম — এখন গ্রামের বাজারেও চলে

আগে আমাদের গ্রামের হাটে গেলে সবাই জানতো, কার কাছে কতো টাকা আছে। কারণ সব লেনদেন হতো নগদে। কেউ যদি বাজার থেকে একশো টাকার চাল কিনতো, তাহলে দোকানদার টাকাটা গুনতো, তারপর কাগজে লিখে রাখতো। কখনো কখনো হিসেব মিলতো না, ঝগড়া হতো।

২০২০ সালের পরে যখন UPI আসলো, তখন প্রথম দিকে সবাই ভয় পেয়েছিল। "ফোনে টাকা? এটা কি সম্ভব?" কিন্তু আমাদের গ্রামের একজন যুবক, সুজিত দা, প্রথম সাহস করে Google Pay ইনস্টল করলেন। একটা ট্রানজাকশন করলেন দশ টাকার। সফল হলো।

সেই দিন থেকে আজকের দিন পর্যন্ত, আমাদের গ্রামের হাটে প্রায় ৮০% লেনদেন হয় ডিজিটাল পেমেন্টে। দুধ বিক্রি করলেও QR কোড স্ক্যান। সবজি কিনলেও QR কোড। এমনকি মন্দিরের দান বাক্সেও এখন QR কোড লাগানো আছে!

💡 বাস্তব উদাহরণ: আমাদের গ্রামের মোহন দাদা একজন মাছ বিক্রেতা। আগে প্রতিদিন বিকেলে তাকে বাজারে বসে থাকতে হতো টাকা তোলার জন্য। এখন? সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে সব টাকা ব্যাংকে চলে যায়। রাতে ঘরে বসে ব্যালেন্স দেখেন।

৪ অনলাইন শিক্ষা — গ্রামের ছেলেমেয়েদের নতুন দিগন্ত

YouTube আর অ্যাপে পড়াশোনা — নতুন যুগের ক্লাসরুম

আমাদের গ্রামে একটা হাইস্কুল আছে। কিন্তু সেখানে বিজ্ঞানের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস হয় না। কম্পিউটার শিক্ষা বলতে একটা পুরোনো কম্পিউটার রুম, যেখানে বেশিরভাগ মেশিনই চলে না। কিন্তু ছেলেমেয়েরা হার মানেনি।

আমাদের গ্রামের প্রিয়াঙ্কা নামে এক মেয়ে, সে Class 10-এ পড়তো। পদার্থবিজ্ঞানের একটা চ্যাপ্টার বুঝতে পারছিল না। স্কুলের স্যার বলেছিলেন, "বইয়ে পড়ো, বুঝে যাবে।" কিন্তু প্রিয়াঙ্কা YouTube খুলে একটা ভিডিও দেখলো। বাংলায় ব্যাখ্যা। দশ মিনিটের ভিডিও। সব ক্লিয়ার।

আজ প্রিয়াঙ্কা মেডিকেল কলেজে পড়ে। সে বলে, "যদি সেই দিন YouTube না খুলতাম, হয়তো আমি আজ ডাক্তার হতে পারতাম না।" এই কথাটা শুনে আমার চোখে জল এসেছিল। একটা ফোন, একটা ইন্টারনেট কানেকশন — কতো বড় পরিবর্তন আনতে পারে!

এখন আমাদের গ্রামে প্রতি বিকেলে একটা "ডিজিটাল স্টাডি গ্রুপ" হয়। ছেলেমেয়েরা একসাথে বসে। একজনের ফোনে ভিডিও চলে, বাকিরা নোট করে। কেউ কেউ তো ট্যাবলেটও কিনেছে। দশ হাজার টাকার ট্যাবলেটে পুরো বিশ্বের জ্ঞান হাতের মুঠোয়।

৫ কৃষিতে প্রযুক্তি — জমি থেকে বেশি ফলন

📡

মাটির তথ্য মোবাইলে — আধুনিক কৃষকের নতুন অস্ত্র

আমার বাবা একজন কৃষক। ত্রিশ বছর ধরে একইভাবে চাষ করছেন। কিন্তু গত তিন বছরে তিনি অনেক কিছু বদলে ফেলেছেন। কীভাবে? মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে।

KisanSuvidha নামে একটা অ্যাপ আছে। সেখানে মাটির তথ্য, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, বীজের দাম, সব কিছু পাওয়া যায়। বাবা প্রতিদিন সকালে উঠে প্রথম কাজ করে এই অ্যাপ খোলা। আজ বৃষ্টি হবে কিনা, কীটনাশক কতোটা দিতে হবে — সব জেনে নেন।

গত বছর আমাদের জমিতে একটা পোকা দেখা দিয়েছিল। বাবা ছবি তুলে WhatsApp-এ কৃষি দপ্তরের গ্রুপে পাঠালেন। আধঘণ্টার মধ্যে উত্তর এলো — কীটনাশকের নাম, কতোটা মাত্রায় দিতে হবে, কখন দিতে হবে। পোকা নিয়ন্ত্রণে চলে এলো তিন দিনের মধ্যে।

আরেকটা বড় পরিবর্তন হলো e-NAM মার্কেট। আগে ধান বিক্রি করতে হতো স্থানীয় আড়তে। দাম নির্ধারণ করতো আড়তদার। এখন? মোবাইলে দেখে নেওয়া যায় কোথায় কতো দাম। সরাসরি ক্রেতার সাথে যোগাযোগ। মধ্যস্বত্বভোগী কমেছে, লাভ বেড়েছে।

৬ স্বাস্থ্য সেবায় ডিজিটাল বিপ্লব

আমাদের গ্রামে একজন প্রাথমিক স্বাস্থ্যকর্মী আছেন। কিন্তু তিনি সব রোগের চিকিৎসা দিতে পারেন না। আগে মানুষজন অসুস্থ হলে প্রথমে তাকে দেখাতেন। যদি সেরে না ওঠে, তাহলে শহরে যেতে হতো। কখনো কখনো অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়ে যেত যে শহরে নিয়ে যাওয়ার আগেই...

এখন পরিস্থিতি বদলেছে। আমাদের গ্রামে একটা টেলিমেডিসিন সেন্টার খুলেছে। প্রতি সপ্তাহে একজন ডাক্তার ভিডিও কলে রোগী দেখেন। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকর্মী রোগীর তথ্য পাঠান, ডাক্তার প্রেসক্রিপশন দেন। সবই অনলাইনে।

আমার মা গত মাসে জ্বরে ভুগছিলেন। আমি তাৎক্ষণিকভাবে একজন ডাক্তারের সাথে ভিডিও কল করলাম। তিনি লক্ষণ শুনে প্রাথমিক ধারণা দিলেন, পরীক্ষার পরামর্শ দিলেন। পরীক্ষার রিপোর্ট WhatsApp-এ পাঠালাম। ওষুধের লিস্ট এলো। দুদিনের মধ্যে মা সুস্থ।

এটা কি আগে কল্পনাও করা যেত? একটা গ্রামের বাড়িতে বসে কলকাতার ডাক্তারের পরামর্শ? কিন্তু আজ এটা সম্ভব। প্রযুক্তি সব সীমানা ভেঙে দিয়েছে।

৭ গ্রামীণ উদ্যোক্তা — অনলাইন ব্যবসার নতুন যুগ

🏪
→
🌐

দোকান থেকে অনলাইন — গ্রামের নতুন ব্যবসা মডেল

আমাদের গ্রামের রামেশ্বর দা একজন মিষ্টি বিক্রেতা। তাঁর দোকানে তৈরি হয় সন্দেশ, রসগোল্লা, ল্যাংচা — এক কথায় পুরোনো স্বাদ। কিন্তু বিক্রি হতো শুধু গ্রামে। শহরের লোক জানতোই না এই স্বাদের কথা।

গত বছর রামেশ্বর দার ছেলে, অমিত, একটা Instagram পেজ খুলল। ছবি তুলতে শুরু করল মিষ্টির। ভিডিও বানালো তৈরির প্রক্রিয়ার। Hashtag দিল #BengalSweets #VillageMade। প্রথম সপ্তাহে ৫০ জন ফলোয়ার। এক মাসে ৫০০০।

আজ রামেশ্বর দার মিষ্টি যায় কলকাতা, দিল্লি, ব্যাঙ্গালোর পর্যন্ত। Courier সার্ভিসের মাধ্যমে। প্রতিদিন অন্তত ৫০টা অর্ডার। দোকান ছোট, কিন্তু ব্যবসা এখন সারা দেশে।

এমন উদাহরণ আরো আছে। একজন আমাদের গ্রামের মহিলা, লক্ষ্মী দিদি, হাতে বোনা শাড়ি বিক্রি করেন Etsy-তে। একজন যুবক, সৌম্য, গ্রামের হস্তশিল্পের জিনিস বিক্রি করেন Amazon-এ। এগুলো আগে কল্পনাও করা যেত না।

৮ সমস্যা আছে, কিন্তু সমাধানও আছে

এতো কিছু বললাম, কিন্তু মিথ্যে কথা বলব না — সমস্যা এখনো আছে। আমাদের গ্রামে নেটওয়ার্ক সমস্যা এখনো আছে। বৃষ্টির দিনে 4G হয়ে 2G-তে নেমে আসে। কখনো কখনো পুরোপুরি চলে যায়।

আরেকটা বড় সমস্যা হলো ডিজিটাল সাক্ষরতার অভাব। অনেক বয়স্ক মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারেন না। তাঁদের জন্য এখনো অনেক কিছু কঠিন। কিন্তু আমাদের গ্রামের যুবকরা এখন একটা "ডিজিটাল সাহায্য কেন্দ্র" চালাচ্ছে। যে কেউ সমস্যায় পড়লে, সেখানে গেলে সাহায্য পায় বিনামূল্যে।

সাইবার নিরাপত্তাও একটা চিন্তার বিষয়। অনেকে ফেক কলে প্রতারিত হয়েছে। কিন্তু সচেতনতা বাড়ছে। গ্রাম পঞ্চায়েত এখন মাসে একবার সচেতনতা ক্যাম্পেইন করে। মানুষজন শিখছে, বুঝছে।

৯ ভবিষ্যৎ — কোথায় যাচ্ছি আমরা

Digital India — ৬০% সম্পন্ন

আমি বিশ্বাস করি, আগামী পাঁচ বছরে আমাদের গ্রাম আরো অনেক বদলে যাবে। 5G আসবে। ইন্টারনেটের গতি এতোটাই বাড়বে যে, শহর আর গ্রামের পার্থক্য কমে যাবে।

আমাদের গ্রামে এখনো অনেক তরুণ প্রযুক্তি শেখার সুযোগ পায় না। কিন্তু সরকারের Skill India মিশন, অনলাইন কোর্স — এগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। আমার ছোট ভাই এখন একটা অনলাইন কোর্স করছে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের। বাড়িতে বসে, ফোনেই।

আমার স্বপ্ন একটা — আমাদের গ্রাম যেন "ডিজিটাল গ্রাম" হিসেবে পরিচিতি পায়। যেখানে প্রযুক্তি শুধু সুবিধা নয়, একটা জীবনধারা। যেখানে শহরের ছেলেমেয়েরা আসবে শিখতে, গ্রামের ছেলেমেয়েরা যাবে শহরে শেখাতে।

📝 শেষ কথা — একটা অনুরোধ

এই লেখাটা পড়ে যদি তোমার মনে হয়, "এটা তো আমাদের গ্রামের গল্পও হতে পারতো," তাহলে তুমি ঠিকই ভাবছো। কারণ এটা শুধু আমাদের গ্রামের গল্প নয়, এটা ভারতের হাজার হাজার গ্রামের গল্প।

প্রযুক্তি কাউকে ছাড়ে না, কাউকে বেশি দেয় না। এটা একটা সুযোগ, যা সবার জন্য খোলা। শুধু সাহস লাগে একটু শেখার, একটু চেষ্টার। আর সেই সাহস যদি থাকে, তাহলে গ্রামের মাটিতেও ডিজিটাল বিপ্লব সম্ভব।

তুমি যদি এই লেখাটা পড়ে উপকৃত হয়ে থাকো, তাহলে তোমার গ্রামের কথাও কমেন্টে জানাও। কীভাবে প্রযুক্তি তোমার জীবন বদলেছে, সেটা শুনতে চাই। আর যদি কারোর কাছে এই লেখাটা পৌঁছে দিতে পারো যার এটা দরকার, অবশ্যই শেয়ার করো।

✍️

রাজু মণ্ডল

শ্যামনগর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

"গ্রাম থেকে শুরু, ডিজিটালে বিশ্বাস"

❓ প্রায়শই জিজ্ঞাসা (FAQ)

ভারতের গ্রামে ইন্টারনেট কতোটা পৌঁছেছে?

২০২৬ সালের হিসেব অনুযায়ী, ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে প্রায় ৬৫% মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। 4G কভারেজ প্রায় ৯৫% গ্রামে পৌঁছেছে।

গ্রামে ডিজিটাল পেমেন্ট কীভাবে কাজ করে?

UPI-ভিত্তিক অ্যাপ যেমন PhonePe, Google Pay, Paytm-এর মাধ্যমে গ্রামের হাট-বাজারেও QR কোড স্ক্যান করে লেনদেন সম্ভব।

গ্রামের ছেলেমেয়েরা অনলাইনে কী শিখতে পারে?

YouTube, BYJU'S, Unacademy-এর মতো প্ল্যাটফর্মে বাংলা ভাষায় পড়াশোনা, কোডিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং সবই শেখা যায়।

কৃষকরা কীভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন?

KisanSuvidha, e-NAM-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করে মাটির তথ্য, আবহাওয়া পূর্বাভাস, বাজারদর জেনে চাষাবাদ ও বিক্রি করছেন।

গ্রামে ডিজিটাল ব্যবসা কীভাবে শুরু করবো?

Instagram, Facebook, WhatsApp Business, Amazon, Flipkart-এর মাধ্যমে হস্তশিল্প, কৃষিজাত পণ্য, হোমমেড খাবার বিক্রি করা যায়।

🏷️ ট্যাগ:

#DigitalIndia #RuralDevelopment #VillageLife #Technology #WestBengal #SmartVillage

👇 এই লেখাটা শেয়ার করো 👇

f
W
X
Ig

Mondal Poribar

www.mondalporibar.online

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

🎬 আমাদের সকল Invite Live এখানে দেওয়া আছে! Facebook বাটনে ক্লিক করে Reels দেখুন
🔴

INVITE LIVE 0

🔴
পোস্ট লোড হচ্ছে...
📘

FACEBOOK 0

📘
পোস্ট লোড হচ্ছে...
🔵

Ai Tool

🔵 0
পোস্ট লোড হচ্ছে...
🟠

Mondal Poribar

🟠 0
পোস্ট লোড হচ্ছে...
Milon SK Banani Rajib Atasi Bera Baisakhi Biswas Animesh Debnath Arpita Sardar Bijaya Dey Das Dipika Debnath Joy Sree Roy Kajal Patar Mousumi Das Shital Bera Sima Chakraborty Singdha Banik Surendra Kumar Tapas Das Uma Paul Biswajit Banik Akshay Mondal
AKSHAY MONDAL